খুলনায় বিশেষ অভিযানে আরও ২৩ জন গ্রেপ্তার, ধরা পড়েছেন ‘কাউয়া মিরাজ’র সহযোগী

· Prothom Alo

খুলনায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার দমনে বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে আরও ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গত ৯ দিনে যৌথ অভিযানে মোট ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

আজ কেএমপির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, নগরের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা থানায় আটজন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় ছয়জন, লবণচরা থানায় তিনজন, খালিশপুর থানায় একজন, দৌলতপুর থানায় তিনজন এবং আড়ংঘাটা ও খানজাহান আলী থানায় একজন করে রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, খালিশপুর থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী এবং ১৭টি মামলার আসামি মো. মনিরুল ইসলাম মণ্ডলকে (৩৮) দস্যুতা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি হিসেবে এবং একটি জিআর ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

খুলনায় র‍্যাবের অভিযানে আটক ‘বি–কোম্পানি’র সহযোগী, গ্রেপ্তার আরও ৩৩

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক অভিযানে আরও ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে খুলনা মহানগরের শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু ওরফে রনি চৌধুরী গ্রুপের অন্যতম কাউয়া মিরাজের সহযোগী এবং খুলনা সদর থানা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. মনির হোসেনকে (৩৫) নগরের ২ নম্বর কাস্টমঘাট এলাকা থেকে আটক করা হয়। চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মনিরের বিরুদ্ধে খুলনা, ঢাকা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

খুলনায় বিশেষ অভিযানে আরও ৩৯ জন গ্রেপ্তার, ধরাছোঁয়ার বাইরে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা

খুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিশেষ অভিযান শুরু করে কেএমপি। তবে অভিযানে একের পর এক গ্রেপ্তার হলেও আলোচিত কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, নগরজুড়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতাও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত বুধবার নগরের শেখপাড়া এলাকার একটি মার্কেটে সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে বন্ধ করে দেয়।

তারা প্রকাশ্যে খুন করে, প্রচারণা চালায়, দোয়া চায় ফেসবুকে

Read full story at source