চিঠি, ডাকবাক্স ও ডাকপিয়নের গল্প
· Prothom Alo
একসময় চিঠি ছিল দূরের মানুষের কাছে পৌঁছানোর প্রধান ভরসা। ডাক হরকরা, রানার আর লাল ডাকবাক্স ছিল সেই যোগাযোগের প্রতীক। মুঠোফোন আর ইন্টারনেটের যুগে সেই চেনা দৃশ্য বদলেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডাকবাক্স এখন অলস পড়ে আছে। এরপরও কাজ করে চলেছেন ডাক বিভাগের কর্মীরা। ঢাকা, বান্দরবান, খুলনা, পাবনা ও চট্টগ্রামে প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের তোলা ছবিতে দেখুন টিকে থাকা ডাকব্যবস্থার গল্প।
Visit tr-sport.click for more information.
ডাকবাক্স ঘিরে উঠেছে দোকানপাট, চলছে ব্যবসা। জিপিএ মোড়, ঢাকাচিঠির ওজন মেপে দেখছেন একজন। লক্ষ্মীবাজার সাব পোস্ট অফিস, ঢাকাকাঠের তৈরি ডাকবাক্সটি ব্যবহৃত হয় না দীর্ঘদিন। বাংলাবাজার, ঢাকাডাকবাক্স খুলে চিঠি আছে কি না, দেখছেন একজন কর্মী। লক্ষ্মীবাজার সাব পোস্ট অফিস, ঢাকাচিঠি সংগ্রহে ডাকবাক্স খুলছেন তিনি। প্রধান ডাকঘর, বান্দরবানইলেকট্রিক বাইকে চড়ে এক কর্মী চিঠি পৌঁছে দিচ্ছেন গ্রাহকদের দ্বারে। বৈকালি এলাকা, খুলনা অনাদরে পড়ে আছে ডাকবাক্সটি। পৌর এলাকা, পাবনা। ডাকবাক্স এখন শোভা পেয়েছে ঘরের শোপিস হিসেবে। সুনাম গ্রাফ, পাবনাপ্রায় ২৮ বছর ধরে সাইকেলে চিঠি পৌঁছে দিচ্ছেন ডাক বিভাগের কর্মী আলী আকবর। তৈলার দ্বীপ, আনোয়ারা, চট্টগ্রামব্যবহার হয় না ডাকবাক্সটি। সামনে বসেছে চায়ের টংদোকান। গেন্ডারিয়া, ঢাকা