ডনের জামিন নামঞ্জুর, সালমান শাহর মা বললেন, ‘কোথাও কোনো দুর্বলতা রয়েছে’
· Prothom Alo
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের জামিনের জন্য আজ বুধবার আদালতে আবেদন করা হয়। এ আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ঘটনায় সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী জানান, ‘ডন কীভাবে জামিন পাবে, জামিন তার প্রাপ্য নয়। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’
Visit michezonews.co.za for more information.
আজ দুপুরে যুক্তরাজ্য থেকে সালমান শাহর মা প্রথম আলোকে বলেন, ‘হত্যা মামলার আসামি কি জামিন পায়? এরা এত দিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছে। সেখানে অনেক দিন পরে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন তার যেন কোনোভাবেই জামিন না হয়। তার জামিন হলে দেশে সালমান–ভক্তরা আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তখন অন্য রকম একটি সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয়ে যাবে।’
খলচরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন ও প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহসালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুর ‘প্রকৃত কারণ’ নিয়ে নানা আলোচনা-জল্পনা আছে। তাঁর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর আদালত হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন। সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে গত বছরের অক্টোবরে রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হন ডন। এই খল অভিনেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। জানা যায়, চেষ্টা করছেন জামিনের।
সালমান শাহনীলা চৌধুরী বলেন, ‘সে খুনের আসামি। সে সিনেমা অঙ্গনটাকে নষ্ট করেছে। এরা একটা অপরাধী চক্র। যদি তাকে জামিন দেওয়া হয়, তাহলে আমি ধরে নেব, কোথাও কোনো দুর্বলতা রয়েছে। আমরা সেটা দেখতে চাই না। আমাদের আইনের প্রতি সম্মান আছে। আইন কোনো অপরাধীকে ছাড়বে না।’
আরও জানা যায়, আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে এ নামঞ্জুর আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডনকে প্রশ্রয় দেয় কে? কেন ডিপজলকে বলে দিতে হয়, ক্ষোভ সালমান শাহর মায়েরসাম্প্রতিক ছবিতে নীলা চৌধুরীআদালত সূত্র জানায়, ডনের আইনজীবীরা আদালতে জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।
৯ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাঁকে কারাগারে আটকে রাখার আবেদন করে সংস্থাটি। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।