মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মমতাদি অবলম্বনে মমতাদি দ্য কুইন

· Prothom Alo

উইন্টার মর্নিং। আমি কম্বলের নিচে শুয়ে আরামসে রিলস দেখছিলাম আর আম্মু ফুলকপি কাটছিল। হঠাৎ একটা ক্রাশ-ম্যাটেরিয়াল মেয়ে এন্ট্রি নিল। বয়স ২৩-এর বেশি না। চেহারার মধ্যে একটা ঐশ্বরিক লেভেলের ভাইভ আছে। মেয়েটা সোজা এসে আম্মুকে বলল, ‘আপনার হাউস হেল্পের জন্য লোক লাগবে? আই অ্যাম লুকিং ফর ওয়ার্ক। বাসার ছোটখাটো কাজ আর পার্টটাইমে বেবি সিটিং করব!’

Visit turconews.click for more information.

তার জিরো ড্রামা অ্যাপ্রোচ আমার ভালো লাগল! ফেডেড শাড়ি, মুখে টায়ার্ডনেস, কিন্তু চোখ দুটি আই-কনট্যাক্ট করার মতো স্টেডি। কপালে একটা বিউটি স্পট যেন পারমানেন্ট টিপ। মা বললেন, ‘তুমি কুকিং পারো?’

শুনে ওর চেহারা ব্লাশ করছিল।

হাট+রস: মুউউউউউরিকা!

কিন্তু ও না বসে বলল, ‘হ্যাঁ, আমি কুকিং পারি। রাখবেন?’

মা জেরা করতেই জানা গেল, তার নাম মমতাদি। ওর হাবি চার মাস ধরে জবলেস, ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস একদম পিক! তাই লাইফে ফার্স্ট টাইম রিয়েলিটি চেক খেয়ে সার্ভাইভাল ফাইট দিচ্ছে। স্যালারি? ১৫০০ টাকা ফিক্সড হতেই ওর চোখে হালকা পানি, কিন্তু নো ড্রামা—একদম কুললি কাজটা নিল।

পরদিন থেকে ও কাজে এল। কাজ করে একদম সাইলেন্ট প্রফেশনাল স্টাইলে! কিন্তু আমি প্যারা খাচ্ছিলাম অন্য জায়গায়। আই ওয়াজ লিটারেলি সাইকো-লেভেল অ্যাট্রাকটেড টু হার! বারবার কিচেনে গিয়ে পানি চাইছি, পাশে দাঁড়াচ্ছি। অ্যাটেনশন সিক করার চেষ্টা করছি। বাট মমতাদি ফুল ঘোস্টিং মোডে। একদম জিরো অ্যাটেনশন! istg, ও যেন এক ছায়ামানবী, পার্থিব কোনো টাচ নেই ওর মধ্যে। রাগ করে স্কুলে চলে গেলাম।

এক সপ্তাহ পর অবশেষে ওর আইস ব্রেক হলো! বাসায় সেদিন রিলেটিভস এসেছে, সাথে প্রচুর মিষ্টি। আমি চিটিং করে মিষ্টি খেতে গিয়ে কট খেলাম। মমতাদি খপ করে আমার হাত ধরে ফেলল! আমি রেগে তাকাতেই ও এমন একটা স্মাইল দিল, istg, মাই হার্ট জাস্ট স্কিপড আ বিট!

ও বলল, ‘দেখছিলাম, কয়টা মিষ্টি খাচ্ছ। এত খেলে পেট খারাপ করবে, আর খেয়ো না, ওকে?’

তারপর সুইটলি বলল, ‘গুড বয়! আসো, তোমাকে পানি খাওয়াই।’

সবাই বিজি, আমি কিচেনে ওর একদম গা ঘেঁষে বসলাম। আমার গুজবাম্প হলো। বললাম, ‘বামুনদি…’

ও হুট করে ফেসটা ক্লোজ করে ডার্ক আই দিয়ে তাকাল। বলল, ‘ডোন্ট কল মি বামুনদি। অনলি মমতা।’

কথাটা বলেই ও আমার পাশে এসে বসল। মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। মমতার এই হিডেন কেয়ারে আমার মনটা অনেক হিলড হয়ে গেল। নো ক্যাপ, মানুষটার সাথে আলাদা একটা অ্যাটাচমেন্ট ফিল হলো।

একদিন ওর গালে আবার তিনটা বিউটি স্পট দেখলাম। কিন্তু নানান ডিসকাস ও স্পাইং করে জানলাম, ওটা আসলে বিউটি স্পট না। ওর হাবি ওকে ফিজিক্যালি হিট করছে। হাত বাড়িয়ে ওর লাল হয়ে থাকা গালে সফটলি হাত বুলাতে গেলাম। মমতাদি আমার হাতটা ধরল! ফিসফিস করে বলল, ‘আই অ্যাম সো লোনলি ব্রোকেন অ্যানজেল। গিভ মি সাম সানশাইন!’

istg, ওই মোমেন্টের ভাইবটা ছিল একদম আনরিয়েল! মমতাদির চোখের ভাষা আমাকে পুরো ফ্রিজ করে দিয়েছিল। ইচ্ছা করছিল, মমতাদির বুকের ওপর ধরা আমার হাতের ছবি ইনস্টাগ্রামে দিয়ে আজই সফট লঞ্চিং করে ফেলি। সবাইকে বলি, ‘আই হ্যাভ আ বেস্টি’।

পরে ওর হাবির জব হলো। আম্মু যখন ওকে কাজ ছেড়ে দিতে বললেন, ও চোকিং ব্যাক করে বলল, ‘আমি কাজ ছাড়ব না, মাম্মি।’

আই নো, কারণটা আর কিছু নয়, আমাদের এই কেমিস্ট্রি, এই বন্ডিং, আমাদের এই বন্ধুত্ব। কিছুক্ষণ পর দেখি, কিচেনে ও কাঁদছিল, আমি পাশে গিয়ে দাঁড়াতে ও বলল, ‘কারও সম্মান বাঁচাতে মিথ্যা বললে কি পাপ হয়?’

আমি বললাম, ‘একটুও না।’

স্কুল শেষে একদিন আই অ্যাম গোয়িং টু হার প্লেস! একদম ক্রাউডেড, ডার্ক একটা রুমে আমাকে বসিয়ে দুটো অরেঞ্জ খাইয়ে মমতা বলল, ‘জাতপাত আর স্ট্যাটাস চেক না করে সবাই যদি ভাইন উইথ এভরিওয়ান মোডে চলত, দুনিয়াটা পুরাই সর্ট আউট হয়ে যেত!’

tbh, মমতাদি আমার কাছে শুধু একজন হাউস হেল্পারই ছিল না, ও ছিল আমার প্রথম বেস্টি, আমার রহস্যময়ী ক্রাশ, আমার ভাইব ম্যাচ করা ফ্রেন্ড, আমার বোন। যার ম্যাজিক্যাল আর কেয়ারফুল অরাতে আমি টোটালি ভ্যানিশ হয়ে গেছিলাম।

Read full story at source