নোয়াখালীর আড়ত থেকে উদ্ধার হলো ১১৩ কেজি ওজনের শাপলাপাতা মাছ

· Prothom Alo

নোয়াখালীতে মাছের আড়ত থেকে ১১৩ কেজি ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে মাছটিকে বন বিভাগের নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

Visit milkshakeslot.online for more information.

আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে জেলা শহরের সোনাপুর বাজার থেকে এক অভিযানে মাছটি জব্দ করা হয়। নোয়াখালীর বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে সোনাপুর বাজার মাছের আড়তে এক ব্যবসায়ী বিক্রির উদ্দেশ্যে শাপলাপাতা মাছটি নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। মাছটি মাঝখানে কাটা ছিল। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছের আড়তের মালিক পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে মাছটি নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে নিয়ে এসে মাটিচাপা দেওয় হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শাপলাপাতা মাছ বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। এটি সাধারণত নদী ও সাগরের তলদেশে বসবাস করে। এটি ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে পরিবেশের খাদ্যচক্র ও ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অতিরিক্ত শিকার, অবৈধ বেচাকেনা ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে বর্তমানে এ প্রজাতি হুমকির মুখে পড়েছে।

জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী এ ধরনের প্রাণী শিকার, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত বা পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (ডব্লিউসিএস) তথ্য অনুযায়ী, শাপলাপাতা মাছের ১৬টির মতো প্রজাতি রয়েছে। বাংলাদেশে যে ৮ থেকে ১০ প্রজাতির শাপলাপাতা মাছ পাওয়া যায়, তার মধ্যে ২টি প্রজাতি মহাসংকটাপন্ন এবং ৩টি সংকটাপন্ন। পিতাম্বরী বা নাঙলা ও ঘণ্টি শাপলাপাতা মাছকে মহাসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। পান্না, শিংচোয়াইন ও ঠোট্টা ঘাপরি শাপলাপাতা মাছকে সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আছে চিত্রা হাউস শাপলাপাতা, ছোটলেজি শাপলাপাতা, কালি শাপলাপাতা, ফুল শাপলাপাতা, বাদুড় শাপলাপাতা, বাদা শাপলাপাতা, থাইন ও চুনি প্রজাতি শাপলাপাতা মাছ। এর কয়েকটি প্রজাতি বিক্রয় নিষিদ্ধ।

Read full story at source