নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা

· Prothom Alo

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতায় আয়োজিত বিক্ষোভ লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।

Visit chickenroadslot.lat for more information.

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয়ে (সাবেক বিডা) কোম্পানিটির সঙ্গে বন্দরের কনসেশন চুক্তি সই হয়েছে। ১৫ বছরের জন্য এ চুক্তি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব ১৫ বছরের জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার চুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবনের সামনে

এ চুক্তির বিরোধিতা করে আজ বেলা দুইটা থেকে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে সিপিবি, বাসদসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। বেলা পৌনে তিনটার দিকে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ সময় সেখানে উপস্থিত সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা আজ সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই বিডা ভবনের সামনে এসেছিলাম। আমরা মনে করি, এ চুক্তি বাংলাদেশকে বিক্রি করার শামিল। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সম্পৃক্ততা আছে, তাদের ওয়েবসাইটে গেলে বিষয়টি বোঝা যাবে।’

সাজ্জাদ জহির আরও বলেন, ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল দেওয়ার মনে হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ওপর আমেরিকা সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে। আমাদের নৌবন্দর, বিমানবন্দর—সব ব্যবহার করবে তারা।’

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব ১৫ বছরের জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার চুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবনের সামনে

সাজ্জাদ জহির বলেন, ‘এর প্রতিবাদ করার জন্যই আজ আমরা এখানে এসেছি। আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের এক পর্যায়ে পুলিশ বিনা উসকানিতে লাঠিপেটা করে। আজ যাঁরা বাংলাদেশটাকে আমেরিকার কাছে, ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন, তাঁরা আজীবন দেশের বিশ্বাসঘাতক, বেইমান হিসেবে চিহ্নিত হবেন। আমরা বামপন্থীরা লড়াইয়ের মাঠে থাকব। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা দেশের বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা করব।’

সিপিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে ব্যাপক লাঠিপেটা করেছে পলিশ। এতে সাজ্জাদ জহির চন্দনসহ অনেক নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।

Read full story at source