ভারতীয় নাগরিক রবিউল এবার অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে

· Prothom Alo

বাংলাদেশে এসে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Visit sportnewz.click for more information.

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট (সরকারি গোপনীয়তা আইন)-এ মামলা করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগের পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন। এরপর রবিউলকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. নুর আলম। শুনানি শেষে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রবিউলের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টে জন্মতারিখের গরমিল রয়েছে। তিনি ভারতীয় নাগরিক হলেও পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ আছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল স্বীকার করেছেন, ১০ থেকে ১২ বছর ধরে তিনি পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসায় একাধিকবার বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন। মূলত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে তিনি গুপ্তচরবৃত্তি করতেন এবং বিদেশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে রবিউল বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এরপর ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করে তিনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থবিরোধী নানা তৎপরতায় জড়ান। এ সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নিষিদ্ধ এলাকার ছবি, স্পর্শকাতর নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা চালান। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ৩, ৩/এ, ৪, ৫ এবং ৯ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রবিউলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সেদিন ডিবি রমনা বিভাগের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রথম দফা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুই দফায় আট দিনের জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করেছে।

Read full story at source