‘কামান’ ও অন্যান্য কবিতা
· Prothom Alo

কামান
ঢাকা গেটের ধারে লোহার কামান দেখে
লোহার কামানটাকেই
মনে হলো, সবচাইতে প্রাজ্ঞ।
ঢাকা গেটের ধারে
লোহার
একটা ভারি স্ল্যাবের উপর
শুয়ে…
কামানটাকেই মনে হলো,
সবচাইতে প্রাজ্ঞ।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
রিফাত চৌধুরীর হাতের লেখায় কবিতা ‘কামান’পয়জন
আমার প্রতি তোমাদের এই নিষ্ঠুর উদাসীনতা দেখে
আমি আমার মনটাকে পয়জন করছি।
পয়জন! মনকে! মনকে পয়জন।
আমার মন বিষ।
বিষের থলি উজাড় করে উগরে দিয়েছি।
কোনো মুমূর্ষু রোগীর শরীরে যেমন
স্যালাইন ওয়াটার ফোঁটা ফোঁটা করে মিশে যায়
আমার শিরায় মিশে যায় তরল গরল।
কালো সাপ
একটা কালো সাপের মধ্যে ঢুকে পড়লাম আপ্রাণ।
তারপর ঘাস সরিয়ে সরিয়ে পথ করে গুঁটলি পাকিয়ে
ঢুকে গেলাম আলো–বাতাসহীন গহ্বরে।
সেই থেকে সেখানেই বসে আছি।
বকুল ফুলের মৃত্যু
আমাদের বাড়ির উঠানে যে বকুলগাছটি আছে,
সেই বকুল ফুলের সঙ্গে বন্ধু পাতায়েছিলাম।
আমি বকুল ফুলের বন্ধু।
অভিন্নহৃদয় বান্ধব দুজনে।
বকুল মরে গেছে কিন্তু তার গাছ এখনও রয়ে গেছে।
আমি বেঁচে আছি সেই গাছ নিয়ে।
বকুল ফুলের কথা বহুদিন বড্ড বিধঁছে ভিতরে।
সময়
সময় তো ছুটছে।
সময় এখন অনেক এগিয়ে গেছে।
সময় আমাদের প্রত্যেকের জীবন
টলমল করতে করতে চলেছে।
পায়ে চাকা বেঁধে আমি তো মুসাফির মহারাজ!
উত্তর যাত্রাবাড়ি
১০৮ উত্তর যাত্রাবাড়িটা কেমন পর পর হয়ে গেল।
এখন আর আমি নেই।
ছেলেবেলায় কিন্তু এই বাড়িটা খুব ভালো লেগেছিল।
যে পেয়ারাগাছটা আমার শৈশবের বন্ধু,
সে–ও জানাল,
তোমাকে মিস করি না আর।