টাঙ্গাইলে মন্ত্রীর স্বজনের মৃত্যু: সন্দেহভাজন সেই মোটরসাইকেলচালককে গ্রেপ্তার
· Prothom Alo

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়কের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফিকের (৪০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের প্রায় তিন সপ্তাহ পর গতকাল বুধবার রাতে শাকিল খান (১৯) নামের ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Visit chickenroad.qpon for more information.
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম জানান, আউয়াল শফিকের মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা স্পষ্ট করতে শাকিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রীর স্বজনের মৃত্যু: সন্দেহভাজনের তথ্য দিলে পুরস্কার দেবে পুলিশশাকিল বাসাইল উপজেলার বর্ণীকিশোরী গ্রামের কৃষক আতোয়ার খানের ছেলে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় স্থানীয় একটি কলেজ থেকে অংশ নিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আউয়াল শফিক উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি যাদবপুর ইউনিয়নে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, ঘটনার দিন দুপুরে সখীপুর-বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের কাছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আউয়াল শফিক সড়কে পড়ে যান। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা শাকিলের মোটরসাইকেল তাঁর মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে শাকিলও সামান্য আহত হয়ে মোটরসাইকেলসহ সড়কে পড়ে যান। পরে মোটরসাইকেল নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
সখীপুরে সড়কে পড়ে ছিল মন্ত্রীর স্বজনের রক্তাক্ত লাশ, পরিবারের সন্দেহ হত্যাপুলিশ জানায়, ঘটনার পর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শাকিলের মোটরসাইকেল চালানোর ছবি পাওয়া যায়। তাঁকে শনাক্ত করে তথ্য দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছিল। তবে শাকিলকে পুলিশ কীভাবে গ্রেপ্তার করেছে, সে বিষয়ে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সখীপুর-বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর থেকে আউয়াল শফিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী তানিয়া আক্তার ৩ সেপ্টেম্বর সকালে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।