টানা পাঁচ জয়ের অপেক্ষায় চুল কাটেননি ভক্ত, দুই বছরেও জিততে পারল না ইউনাইটেড

· Prothom Alo

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা পাঁচ ম্যাচ জিতলেই চুল কাটবেন। ব্যস, এই পণ করেই ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর শেষবার কাঁচির নিচে বসেছিলেন ফ্র্যাঙ্ক আইলেট নামের এক ভক্ত। এরপর কেটে গেছে প্রায় দুই বছর।

Visit betsport.cv for more information.

মাথার চুল লম্বা হতে হতে এখন প্রায় ১৪ ইঞ্চি। কিন্তু ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের দেখা নেই। আর কদিন পর দুই বছর পূর্ণ হতে চললেও এই মুহূর্তে ‘শূন্য’তে দাঁড়িয়ে আছে ইউনাইটেড, সঙ্গে আইলেটও।

গত মৌসুমের শেষ দিকে নটিংহাম ফরেস্ট ও ব্রাইটনের বিপক্ষে জিতে ইউনাইটেডের সামনে সুযোগ এসেছিল টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ পূরণের। এবার ২০২৬–২৭ মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে জিতলেই চক্র পূরণ হয়ে যেত।

প্রতিপক্ষও ছিল অপেক্ষাকৃত সহজ—হাল সিটি, ইপসউইচ টাউন ও এভারটন। এর মধ্যে হাল সিটি ও ইপসউইচ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রমোশন পাওয়া দল, এভারটন গত লিগ শেষ করেছিল ১৩তম হয়ে। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে প্রথম ম্যাচেই হাল সিটির কাছে ২–০ গোলে হেরে বসে ইউনাইটেড।

View this post on Instagram

A post shared by Frank Ilett (The United Strand) (@theunitedstrand)

পরের ম্যাচেই অবশ্য ইপসউইচকে ৫–২ গোলে হারিয়ে আবার জয়ের ধারা শুরু করে ইউনাইটেড। কিন্তু এরপর এভারটনের সঙ্গে ২–২ ড্র। এরপর ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটির কাছে ১–০ গোলে হার টানা পাঁচ জয়ের স্বপ্নকে আরও দীর্ঘায়িত করে দেয়। বড় ধাক্কাটা দিয়েছে এরপর ব্রাইটন ম্যাচ। কারাবাও কাপে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই ২–০ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলে হার ইউনাইটেডের।

যার অর্থ, টানা পাঁচ জয়ের হিসাব আবার এক থেকে শুরু করতে হবে আইলেটকে, এই মুহূর্তে যা শূন্য। রোববার লিগে ফুলহামের বিপক্ষে খেলবে ইউনাইটেড। এরপর দুই সপ্তাহের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে দলটির পরের ম্যাচ ১০ অক্টোবর টটেনহামের বিপক্ষে।

অর্থাৎ, এর আগেই আইলেটের চুল কাটার অপেক্ষার দুই বছর পার হয়ে যাবে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সর্বশেষ টানা পাঁচ ম্যাচ জিতেছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

আইলেটের ইউনাইটেডের টানা পাঁচ জয়ের চ্যালেঞ্জ অবশ্য শুধুই মজার ঘটনা নয়। চুল কাটার অপেক্ষার পাশাপাশি তিনি অর্থ সংগ্রহ করছেন লিটল প্রিন্সেস ট্রাস্টের জন্য। ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের জন্য পরচুলা তৈরি করে সংস্থাটি।

ফুটবলে টানা ম্যাচ জয়ের বিশ্ব রেকর্ড, ওভারে ৬ ছক্কা এবং আরও ৮ প্রশ্ন

Read full story at source