ক্যাম্পাস থেকে হলে আসা-যাওয়ার পথেই ছোটখাটো কনটেন্ট বানিয়ে ফেলি

· Prothom Alo

পড়াশোনা করতে করতেই অনেকে পেশাদার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। কারও কারও ভালো আয়ও হচ্ছে। কেউ আবার আয়ের দিকে না ঝুঁকলেও ক্যাম্পাস–জীবন থেকেই কনটেন্ট বানিয়ে হাত পাকাচ্ছেন, যেন পরে কাজে লাগে এই অভিজ্ঞতা। আদতে পড়ালেখার পাশাপাশি কনটেন্ট বানানোর অভিজ্ঞতা কেমন, আমরা জানতে চেয়েছিলাম কয়েকজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কাছে। চতুর্থ পর্বে পড়ুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ীদা ইসলাম–এর কথা।

Visit newssport.cv for more information.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ীদা ইসলাম

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সামলে নিয়মিত ভিডিও তৈরি করি। মূলত টিকটকেই কনটেন্ট দিতে ভালো লাগে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ যুক্ত আছেন; যাঁদের ভালো লাগা আর উৎসাহই আমাকে প্রতিদিন নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দেয়।

রাঙামাটির পাহাড়, লেক আর সবুজ প্রকৃতিতে শৈশব কাটানোর কারণে খুব ছোটবেলা থেকেই রূপবৈচিত্র্যকে গভীরভাবে অনুধাবন করার একটা চোখ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। পরে উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার জন্য ঢাকায় আসা। রাঙামাটির সেই পাহাড়ি পরিবেশ থেকে শুরু করে আজকের কোলাহলপূর্ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস—আমার জীবনযাত্রার নানা অভিজ্ঞতা কনটেন্টে তুলে ধরি।

কনটেন্ট তৈরি করলেও ভবিষ্যতের লক্ষ্য বিসিএস

আমার ভিডিওর মূল উপজীব্যই হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। দেশীয় পোশাক, কৃষ্টি আর জীবনধারাকে ভালোবেসে ক্যামেরাবন্দী করি। পাশাপাশি স্বাস্থ্য অর্থনীতির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে কিশোরী ও নারী শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য, তাদের দিনযাপনের নানা অভিজ্ঞতা ও সচেতনতামূলক বিষয়গুলোও ভিডিওতে তুলে আনি। একজন নারী শিক্ষার্থী হিসেবে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব আমি তীব্রভাবে অনুভব করি, তাই আমার সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিষয়গুলো সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

অনেকেই ভাবেন ক্লাসের পড়ালেখা আর পরীক্ষার মাঝে কীভাবে এত কিছু সামলানো সম্ভব! স্বাস্থ্য অর্থনীতির মতো একটি বিষয়ে পড়ার কারণে পড়াশোনার বেশ চাপ থাকে। কিন্তু আমি নিজের শখ আর পড়াশোনাকে আলাদা করে দেখি না। ক্যাম্পাস থেকে হলে আসা-যাওয়ার পথেই হয়তো কোনো নতুন আইডিয়া মাথায় আসে, আর সুযোগ বুঝে তা দিয়েই বানিয়ে ফেলি ছোটখাটো কোনো কনটেন্ট।

সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ, নারী শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও নিজের দেখা চারপাশটাকে সহজভাবে ফুটিয়ে তোলাই আমার এই যাত্রার লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও পড়াশোনার মান ঠিক রেখে এভাবেই নিজের কাজ আর স্বপ্নের পথে হেঁটে যেতে চাই।

কনটেন্ট বানিয়ে প্রথম সম্মানী ছিল ১৪–১৫ হাজার টাকা

Read full story at source