দুই দিনের আন্তর্জাতিক ফটোশুটে অনন্যা সম্মানী পেলেন ৪ লাখ টাকা, দেখুন ১০টি ছবি
· Prothom Alo
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস কজমো’তে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন ফারজানা ইয়াসমিন অনন্যা। এক সপ্তাহ আগে থাইল্যান্ডে একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফটোশুটে অংশ নেন তিনি। সেই ফটোশুটে অনন্যা ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫ খেতাবজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলা। এই দুজন ছাড়াও চারটি ভিন্ন দেশের আরও পাঁচজন আন্তর্জাতিক মডেল ছিলেন ফটোশুটে
Visit syntagm.co.za for more information.
হংকংভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ভেসপার লিমিডেট ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অনন্যার সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভেসপার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত তাদের একটি অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে অনন্যাকে আমন্ত্রণ জানায়তবে অনুষ্ঠানের ঠিক আগে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে সেই যাত্রা বাতিল হয়। এরপর তারা অনন্যাকে প্রস্তাব দেয় থাইল্যান্ডে এই ফটোশুটে অংশ নেওয়ার। মূলত ভেসপারের একটি নতুন ফ্যাশন উদ্যোগের জন্য এই ফটোশুটের আয়োজনবাংলাদেশের মিথিলা ও অনন্যা ছাড়াও থাইল্যান্ডের সেই ফটোশুটে অংশ নেন ফ্রান্স, প্যারাগুয়ে, ফিলিপাইন ও স্পেনের পাঁচজন মডেল। তাঁরা সবাই মূলত বিভিন্ন বিউটি প্যাজেন্টের বিজয়ীএই ফটোশুটের জন্য অনন্যা চলতি আগস্ট মাসেই থাইল্যান্ডের ফুকেটে যান। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া–আসা, স্থানীয় বাহন, পাঁচ তারকা হোটেল, খাবারসহ প্রায় সব খরচ বহন করে ফটোশুটের আয়োজক প্রতিষ্ঠানফুকেটে পৌঁছানোর পরদিন ৬ আগস্ট ভোর পাঁচটায় ছিল কল টাইম। সময়মতো ঘুম থেকে উঠেই সবাই মেকআপ নিতে শুরু করেন, পাশাপাশি হেয়ার স্টাইলও চলতে থাকেফুকেটের সুরিন বিচে প্রথম ফটোশুট হয়। এরপর পুরো টিম যায় বিচ ক্লাবে, সেখানে দুপুরের খাবারের পর একটি ফটোশুটও করেন তাঁরা। ভেসপারের রিসোর্ট ওয়্যার ও সুইম ওয়্যারের নতুন সংগ্রহের ওপর ফটোশুটটি করা হয়। যেখানে একেকজন মডেল দুই দিনে চার–পাঁচটি পোশাকে ফটোশুট করেনপরদিন আবারও সকাল সকাল মেকআপ ও হেয়ার স্টাইল শেষে মডেলদের দলটি বেরিয়ে পড়ে নতুন নতুন লোকেশনে। দ্বিতীয় দিনের শেষ ফটোশুট হয় সূর্যাস্তের সময়অনন্যা জানান, এই ফটোশুট থেকে তিনি ৪ লাখ টাকা সম্মানী পেয়েছেন। এ ছাড়া ৭৫ হাজার টাকার প্লেন টিকিট ও যে রিসোর্টে তাঁদের রাখা হয়, সেটির প্রতি রাতের ভাড়া বাবদ ১৫ হাজার টাকা বিল মেটায় ফটোশুট আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান। ছবিতে অনন্যার সঙ্গে প্যারাগুয়ের মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ২০১৮ খেতাব জেতা ক্লারা সোসা সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ী নারীদের সঙ্গে ফটোশুটের অভিজ্ঞতাও অনন্যাকে সমৃদ্ধ করেছে বলে জানান। ফটোশুটের জন্য জার্মানি থেকে ভিডিওগ্রাফার ও ফটোগ্রাফার এসেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছিলেন কোরিওগ্রাফারঅনন্যা বলেন, ‘পাঁচটি দেশের আমরা সাতজন নারী মডেল। একই সঙ্গে “ভোগ”–এর মতো ম্যাগাজিনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আলোকচিত্রী, ভিনদেশের লোকেশন—সব মিলে অভিজ্ঞতাটা দারুণ।’ বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে সামানজারকে প্রথম সপ্তাহে যত পোশাকে দেখা গেল