এক দিন পরই বাড়ল সোনার দাম, আজ ভরিতে ২,১৫৮ টাকা
· Prothom Alo
এক দিনের মধ্যে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ল। আজ শনিবার ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিপ্রতি বেড়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম বেড়েছে ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। বাস্তবতা হচ্ছে, গতকাল ১৪ আগস্ট ভালো মানের প্রতিভরি সোনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আজ একই হারে দাম বাড়ানো হলো।
Visit bettingx.club for more information.
আজ সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সমিতি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় সমন্বয় করা হয়েছে।
সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান দেওয়ান আমিনুল ইসলামের সইয়ে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দাম সমন্বয়ের কারণে আজ থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৫ টাকা আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
আজ দাম বাড়ানোর আগে সোনার দাম ছিল এ রকম: ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা; ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা; ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা; সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
দেশের বাজারে আজ রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি এখন ৪ হাজার ৮৪০ টাকা।
এদিকে গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গতকাল শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে আউন্সপ্রতি ১৩ দশমিক ৪৩ ডলার। গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে আউন্সপ্রতি ৩৭৫ ডলার। অর্থাৎ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর সোনার দাম যেভাবে পড়ছিল, সেই ধারায় ছেদ পড়েছে। গতকাল রুপার দাম কমেছে আউন্সপ্রতি ১০ সেন্ট।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় ইতিহাসে এই প্রথম প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। তারপর দাম কিছুটা কমলেও ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরু হলে আবার সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলারের ওপরে ওঠে। পরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে দাম চার হাজার ডলারের নিচে নামে। সোনার দাম মাস দুয়েক চার হাজার ডলারের আশপাশেই ছিল।