কুষ্টিয়ায় পীর আবদুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামায়াত নেতাসহ দুজন কারাগারে
· Prothom Alo

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামায়াত নেতাসহ দুজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
Visit bettingx.bond for more information.
ওই দুজন হলেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ খাজা আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান।
দরবারে ঢুকে পীরকে কুপিয়ে হত্যাবিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আলী মর্তুজা প্রথম আলোকে বলেন, এ নিয়ে মামলাটির এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে তিনজনসহ মোট ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হলো।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর থেকেই প্রধান আসামিসহ অন্যরা পলাতক ছিলেন। রাজীবকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছিল র্যাব। এ ছাড়া আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খাজা আহমেদ ও আসাদুজ্জামান উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জন্য জামিনে ছিলেন। আজ দুপুরে তাঁরা উভয়ই কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবির সরকার তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কুষ্টিয়ায় দরবারে হামলা ও পীর হত্যার ঘটনায় ১৯ জন শনাক্ত, অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছেনকুষ্টিয়া আদালতের পরিদর্শক জহুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুই আসামিকে আজ বিকেলের মধ্যে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলার দক্ষিণ–পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা পীর আবদুর রহমান পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযোগে ১১ এপ্রিল তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর ১৩ এপ্রিল শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার বাসিন্দা রাজীব মিস্ত্রি ও ইসলামপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. শিহাব। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তারের পর কারাগারে