বগুড়ায় জোড়া হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, যানজটে দুর্ভোগ

· Prothom Alo

বগুড়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে দুই যুবক হত্যায় আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও এলাকাবাসী।

আজ বুধবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার মোকামতলা বন্দর এলাকায় অবরোধ করেন। এ সময় মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় আটকে পড়া গাড়ির যাত্রী ও চালকদের। পরে মোকামতলা তদন্তকেন্দ্র ও শিবগঞ্জ থানার পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেন।

Visit bettingx.bond for more information.

হাইওয়ে বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবু তোরাব মো. শামসুর রহমান বলেন, জোড়া হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে স্থানীয় লোকজন ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে এ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। বেলা সোয়া একটার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিন শতক পৈতৃক জায়গা নিয়ে উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের তিন ভাই—জামিল, তোফাজ্জল ও রেজাউল করিমের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ১৮ মে সকালে রেজাউল করিম ও তাঁর দুই ছেলের সঙ্গে জামিল ও তোফাজ্জলের পরিবারের ঝগড়া বাধে। বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির এক পর্যায়ে জামিলের ছেলে ইয়াছিন আলী (৩০) ও সুমন মোল্লাকে (৩৫) রেজাউল ও তাঁর দুই ছেলে আহাদ ও রাব্বী ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ইয়াছিন আলীর মৃত্যু হয়। আর গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান বলেন, হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত আবদুল আহাদকে মামলার আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিরা আত্মগোপন করেছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Read full story at source