জাপানের টোব মাকি স্কলারশিপ: স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির জন্য আবেদন শেষ ৮ মে

· Prothom Alo

জাপানে যাঁদের পড়াশোনার স্বপ্ন তাঁদের জন্য একটি বৃত্তির সুযোগ আছে। বৃত্তির নাম ‘টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬’। এ স্কলারশিপের আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। এ বৃত্তি পেলে নির্বাচিত ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। আবেদনের শেষ সময় ৮ মে ২০২৬।

সুযোগ-সুবিধা—

*স্নাতকোত্তরের জন্য মাসিক ৭০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৮,৪০,০০০ ইয়েন) পাবেন শিক্ষার্থীরা

Visit grenadier.co.za for more information.

*স্নাতকে মাসিক ৬০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৭,২০,০০০ ইয়েন) পাবেন শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশিদের হার্ভার্ডে স্কলারশিপ নিয়ে এমবিএ করার সুযোগ

কোনো শিক্ষার্থী বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি মূল্যের অন্য কোনো স্কলারশিপ পেলে টোব মাকি স্কলারশিপের অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে জ্যাছো (JASSO) বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এ বৃত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

স্কলারশিপের মেয়াদ—

এ স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। স্কলারশিপের অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর কাছে দেওয়া হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্কলারশিপে ৬০০ বৃত্তি, বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—

—অনলাইন আবেদনপত্র

—অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের স্ক্যান কপি

—আবাসিক সনদ (মাই নম্বর ছাড়া)

—জিপিএ সনদ (যদি ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখ না থাকে)

—ভর্তি সনদ (২০২৬ সালের ১ এপ্রিলের পর প্রাপ্ত)

—ব্যক্তিগত বিবৃতি

—চিকিৎসা সনদ

—হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি/রিজিউম)।

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড: শিক্ষার্থীরা আবেদনপদ্ধতি ও বিস্তারিত জেনে নিন

আবেদনের যোগ্যতা—

*স্কলারশিপের মেয়াদকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি থাকতে হবে

*স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে অথবা স্নাতক পর্যায়ের ক্ষেত্রে তৃতীয় বর্ষ বা তদূর্ধ্ব শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হতে হবে।

আবেদনপ্রক্রিয়া

অনলাইনে আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের। আবেদনের পদ্ধতিসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

Read full story at source