নোয়াখালী বন্ধুসভার পাঠচক্রে রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’
· Prothom Alo
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে নোয়াখালী বন্ধুসভা। ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টায় অনলাইন গুগল মিট অ্যাপে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
Visit milkshakeslot.online for more information.
‘শাস্তি’ গল্পটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার গ্রামীণ সমাজব্যবস্থাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। গল্পে এক অভাবগ্রস্ত পরিবারের দারিদ্র্যের চিত্র যেমন ফুটে উঠেছে, তেমনই দুই ভাইয়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ও দুই জায়ের মধ্যে তিক্ত সম্পর্কের চিত্র দৃশ্যমান হয়। একই সঙ্গে শেষ দিকে ফুটে ওঠে তখনকার ক্রটিপূর্ণ বিচারব্যবস্থা।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক শান্ত চন্দ্র দে বলেন, ‘মানুষ যখন কোনো খারাপ কাজ করে, তখন তার ভেতর থেকেই একটা অপরাধবোধ জন্ম নেয়। এতে মনের শান্তি নষ্ট হয়ে যায় এবং একসময় সেই সত্য কথা নিজের অজান্তেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।’
সাধারণ সম্পাদক সানি তামজীদ বলেন, ‘তৎকালীন সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত—সব যুগে নারীরাই বারবার বলির পাঁঠা হয়ে আসছে। সব সময়ই তারা অবহেলিত ও তুলনামূলক কম গুরুত্ব পায় সমাজে।’
জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক জয়শ্রী নাথ বলেন, ‘গল্পটিতে আমাদের সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সব যুগেই নারীরা অবহেলিত থেকেছে।’
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন চন্দ্র কুরী বলেন, ‘রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রায়ই আমাদের জন্য ক্ষতিকর ফল বয়ে আনে। ফলস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই “শাস্তি” গল্পের প্রেক্ষাপট।’
সভাপতি আসিফ আহমেদ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কাব্য, উপন্যাস এবং তাঁর লেখা অন্যান্য সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন।
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য রুমাইয়া সুলতানা, অর্ঘ্য ভূঞাসহ অন্য বন্ধুরা।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, নোয়াখালী বন্ধুসভা