চারুকলা থেকে বের হলো ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

· Prothom Alo

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে।

Visit mchezo.co.za for more information.

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার পর ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রা বের হয়।

সকাল ৯টা ৩ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশন শুরু হয়। তারপর ৯টা ৬ মিনিটে শোভাযাত্রা শুরু হয়।

শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করছেন।

শোভাযাত্রার এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ইউটার্ন নেবে। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে আবার চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে বৈশাখী শোভাযাত্রায় প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন প্রতিকৃতি প্রস্তুত করা হয়। এবারের শোভাযাত্রায় মোট পাঁচটি প্রধান প্রতীক বা মোটিফ রাখা হয়েছে। এগুলো হলো মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়া। মোরগ, পায়রা এবং বাকি মোটিফগুলো আলাদা আলাদা বার্তা বহন করছে।

শোভাযাত্রা ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

মোরগ নতুন সূচনা, জাগরণ ও আলোর আগমনের প্রতীক হয়ে অন্ধকার দূর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। দোতারা বাঙালির লোকসংগীতের প্রাণ হিসেবে আমাদের সাংস্কৃতিক শেকড়কে তুলে ধরে, পাশাপাশি বাউলশিল্পীদের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে সংগীতের মর্যাদার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত কাঠের হাতি লোকজ ঐতিহ্য, শক্তি ও আভিজাত্যের প্রতীক। টেপা আকৃতির ঘোড়া গ্রামবাংলার সরল জীবন ও শৈশবের স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। পায়রা সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও বৈশ্বিক শান্তির বার্তা বহন করে।

এবারের পয়লা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুখোশ পড়া নিষিদ্ধ। তাই চারুকলা অনুষদের প্রস্তুত করা মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের।

Read full story at source