চট্টগ্রামে টেরিবাজারের বিপণিকেন্দ্রে আগুন, অগ্নিদগ্ধ দুজনের মৃত্যু হাসপাতালে

· Prothom Alo

চট্টগ্রাম নগরের টেরিবাজারের কে বি অর্কিড প্লাজা নামের একটি বহুতল বিপণিকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি দোকানঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে দুই ব্যক্তি মারা গেছেন। নিহত দুজন হচ্ছেন মোহাম্মদ ইউনুস (৫২) ও মো. সোলাইমান (২৮)। তাঁদের গ্রামের বাড়ি পটিয়া উপজেলায়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে ওই বিপণিকেন্দ্রের চতুর্থ তলার একটি দোকানে আগুন লাগে। আগুন ছড়িয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ইউনুস, সোলাইমান ও আরও একজন গুরুতর দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির তত্ত্বাবধায়ক নুরুল আলম আশিক প্রথম আলোকে দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, টেরিবাজার এলাকায় আগুনের ঘটনায় তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তখন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় চট্টগ্রামের এই এলাকার বিপণিবিতান ও দোকানগুলোয় কেনাকাটার জন্য হাজারো মানুষ আসেন। দুপুর থেকে দোকানগুলোয় শত শত মানুষ ভিড় করেন। তবে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় আজ সকালে মানুষের ভিড় ছিল না। তবে ভবনে আগুন দেখতে পেয়ে আশপাশ থেকে প্রচুর মানুষ জড়ো হন।

এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ারসার্ভিস। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নগরের লালদীঘি সড়কের টেরিবাজার এলাকায় কে বি অর্কিড প্লাজা নামের বহুতল ভবনের অবস্থান। ভবনটিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট রয়েছে। সকালে ভবনের চতুর্থ তলায় ওয়েস্টার্ন টেইলার্স থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে চন্দনপুরা ও নন্দনকানন ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর বেলা পৌনে ১১টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তিনজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মন্নান প্রথম আলোকে বলেন, তিনজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Read full story at source