‘লম্বি জুদাই’ দিয়ে সাড়াজাগানো সেই নায়িকা মারা গেছেন

· Prothom Alo


বলিউডের আশির দশকের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী মধু মালহোত্রা মারা গেছেন। ১৩ মার্চ ৭২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর মুম্বাইয়ে মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
বলিউডে মধু মালহোত্রা প্রধান নায়িকা হিসেবে খুব বেশি পরিচিতি না পেলেও, একটি গান তাঁকে অমর করে রেখেছে। সুভাষ ঘাই পরিচালিত ১৯৮৩ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘হিরো’–এর বিখ্যাত গান ‘লম্বি জুদাই’–এ এক যাযাবর নারীর চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

Visit milkshakeslot.com for more information.

গানটি গেয়েছিলেন পাকিস্তানি লোকসংগীতশিল্পী রেশমা। সেই দৃশ্যে গ্রামীণ আবহে তাঁর উপস্থিতি ও আবেগঘন অভিনয় দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। ছবিটি ছিল জ্যাকি শ্রুফ ও মীনাক্ষী শেষাদ্রির ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা, কিন্তু একই সঙ্গে ওই গানের দৃশ্যেও মধু মালহোত্রা দর্শকদের নজর কাড়েন।

শুরুটা হয়েছিল হরর সিনেমা দিয়ে
মধু মালহোত্রার অভিনয়জীবনের শুরু ১৯৭৫ সালে। তাঁর প্রথম ছবি ছিল র‍্যামসে ব্রাদার্স পরিচালিত হরর চলচ্চিত্র ‘আন্ধেরা’। এরপর ধীরে ধীরে তিনি মূলধারার বলিউডে কাজ শুরু করেন। ১৯৭৯ সালে শক্তি সামন্ত পরিচালিত অপরাধধর্মী ছবি ‘দ্য গ্রেট গ্যাম্বলার’–এ অভিনয় করে তিনি মূলধারার দর্শকের নজরে আসেন। সেখানে তিনি অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন অভিনীত চরিত্রের বোনের ভূমিকায়।

মধু মালহোত্রা। আইএমডিবি

আশির দশকে নিয়মিত মুখ
আশির দশকে মধু মালহোত্রা একাধিক বড় ছবিতে সহ-অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘সত্তে পে সত্তা’, যেখানে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও হেমা মালিনী।
এর আগে ১৯৮১ সালের রোমান্টিক ড্রামা ‘আস পাস’–এও মধু মালহোত্রাকে দেখা যায়। সেই ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন প্রেম চোপড়ার বিপরীতে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল সুভাষ ঘাইয়ের ‘কর্জ’। সেখানে তিনি ‘পিঙ্কি’ নামের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

‘চঞ্চলা হাওয়ারে’র সেই নায়িকা অলিভিয়া এখন কোথায়

নব্বইয়ের দশকেও বিভিন্ন ছবিতে ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে মধু মালহোত্রাকে। ১৯৯২ সালে নির্মিত ‘হীর রাঞ্জা’–এ তিনি অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুরের বোনের ভূমিকায়। ছবিটির প্রধান চরিত্রে ছিলেন শ্রীদেবী।
এরপর ১৯৯৩ সালে রাকেশ রোশন পরিচালিত জনপ্রিয় ছবি ‘কিং আঙ্কেল’–এও মধু মালহোত্রাকে দেখা যায়। ১৯৯৮ সালে বিক্রম ভাট পরিচালিত ‘গুলাম’–এও তাঁর উপস্থিতি ছিল।

মধু মালহোত্রার অভিনীত শেষ ছবি ছিল ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওহ বেওয়াফা থি’। এরপর ধীরে ধীরে তিনি চলচ্চিত্রজগৎ থেকে দূরে সরে যান।

Read full story at source