মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার: রংপুরে হত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ
· Prothom Alo

রংপুরের তারাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিতে স্থানীয় লোকজন রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। আজ শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে রংপুরের তারাগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। পরে পুলিশ ও ইউএনও এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে এক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫) তিন দিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। গত বুধবার স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, পাশের ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় একটি তামাকখেতে রক্ত ও এক জোড়া জুতা পাওয়া গেছে। সেখানে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা জুতাটি মঞ্জুরুলের বলে শনাক্ত করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাকুয়াপাড়া মাঠে লাশের সন্ধানে খোঁজ শুরু করেন। দুপুরের দিকে রামপুরা মাজারসংলগ্ন একটি আলুখেতের এক কোণে তাঁর মাটিচাপা দেওয়া লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
Visit albergomalica.it for more information.
বিক্ষোভকারীরা বলেন, নিহত মঞ্জুরুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা চান। তাঁরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন বলেন, ‘মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। বিচারের আশ্বাস পেয়ে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যান।’
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, ‘মঞ্জুরুলের স্ত্রী জান্নাতি বেগম তারাগঞ্জ থানায় আজ একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা গুরুত্বসহকারে মামলাটি তদন্ত করছি। দ্রুত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে।’
রংপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি চাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার