শেষ ম্যাচে ওমানকে পিটিয়ে ‘জ্বালা’ মেটাল অস্ট্রেলিয়া

· Prothom Alo

এতে কি অস্ট্রেলিয়ানদের মনের ব্যথা কিছুটা কমবে? কমতে পারে। মাত্র ৯.৪ ওভারে ১০৮ রান তুলে ৯ উইকেটের জয় বলে কথা।

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ওমানকে আটকে দিয়েছিল ১০৫ রানে। এরপর মিচেল মার্শ, ট্রাভিড হেডদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ ও দ্রুত জয় অস্ট্রেলিয়ার।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

এটি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। এর আগে ২০২৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯.৪ ওভারে রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ডও।

আগেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার জয়টি আসতে পারত ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানেই। তবে জয় থেকে ১৩ রান দূরত্বে ওপেনার হেড ১৯ বলে ৩২ রান করে ফিরে যাওয়ায় সেটি হয়নি। এক প্রান্তে অধিনায়ক মিচেল মার্শ অপরাজিত থাকেন ৩৩ বলে ৬৪ রান করে। তিন নম্বরে নামা জশ ইংলিশ অপরাজিত থাকেন ৬ বলে ১২ রানে।

আগেই বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেছে অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত্তি অবশ্য বোলাররাই তৈরি করে দিয়েছিলেন। বিশেষ করে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই লেগ স্পিনার। হয়েছেন ম্যাচসেরাও।

টসে জিতে ফিল্ডিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়া আজ শুরু থেকেই ওমানকে চেপে ধরে। ইনিংসের প্রথম বলেই জাভিয়ের বার্টলেট ওমান ওপেনার আমির কালিমকে বোল্ড করে দেন। আরেক ওপেনার যতিন্দর সিংকেও ফেরান কিছুক্ষণ পরই। ওমানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন ওয়াসিম আলী।

অস্ট্রেলিয়া কি আসলেই টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপকে গুরুত্ব দেয় না, কী বলছেন তাদের কোচ

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করলেও ম্যাচশেষে হতাশাই প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক মার্শ। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার কাছে হারের বিষয়টি ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা সুযোগ হারিয়েছি। আমি আগেও অনেকবার বলেছি, ড্রেসিংরুম এখন ভীষণ হতাশায় আচ্ছন্ন। যে কয়েকটা ম্যাচে আমাদের সেরাটা খেলার দরকার ছিল, আমরা তা পারিনি।’

ম্যাচসেরা হওয়া জাম্পা বলেছেন, ‘খুবই কঠিন কয়েকটা দিন গেল। ড্রেসিংরুমে এখন পিনপতন নীরবতা। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়াটা সত্যিই খুব হতাশাজনক।’

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ওমান: ১৬.২ ওভারে ১০৪ (ওয়াসিম ৩২; জাম্পা ৪/২১, ম্যাক্সওয়েল ২/১৩)। অস্ট্রেলিয়া: ৯.৪ ওভারে ১০৮/১ (মার্শ ৬৪*, হেড ৩২; শাকিল ১/২৯)। ফল: অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: অ্যাডাম জাম্পা।

Read full story at source